Homeদৈনিক সংবাদস্থানীয়মাঠপর্যায়ে কৃষি অফিসের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ, অস্বীকার কর্মকর্তার

মাঠপর্যায়ে কৃষি অফিসের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ, অস্বীকার কর্মকর্তার

বাজারে চড়া দাম থাকা সত্ত্বেও বৈরী আবহাওয়া এবং তীব্র সার সংকটের মুখে পড়ে লোকসানের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার আগাম শিম চাষিরা। শীত মৌসুম শুরুর আগেই বাড়তি লাভের আশায় উপজেলার চাঁদভা, মাজপাড়া ও দেবোত্তর ইউনিয়নের শত শত কৃষক এবার আগাম জাতের শিম আবাদ করেছেন। তবে অতিরিক্ত গরম, দফায় দফায় বৃষ্টি এবং চাহিদামতো সার না পাওয়ায় কৃষকদের সেই প্রত্যাশায় ভাটা পড়েছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আটঘরিয়া উপজেলায় ৭০০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে আগাম শিমের আবাদ করা হয়েছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টন। বর্তমানে স্থানীয় পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শিম ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা কমেনি কৃষকদের।

সার সংকট ও কৃষি অফিসের অবহেলার অভিযোগ
আটঘরিয়ার চাঁদভা ইউনিয়নের বয়ড়া গ্রামের কৃষক ফরিদ, আব্দুল মজিদ ও হেলাল উদ্দিনসহ একাধিক চাষি অভিযোগ করেন, চাষাবাদের শুরু থেকেই খোলা বাজারে প্রয়োজনীয় সার পাওয়া যাচ্ছে না। এতে শিমের গাছ ও কচি ফুলের আশানুরূপ বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। এছাড়া মাঠপর্যায়ে সংকটকালীন সময়ে কৃষি অফিস থেকে কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা বা পরামর্শ পাচ্ছেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

পরামর্শ দেওয়ার দাবি কৃষি বিভাগের
কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা মোতমাইন্না জানান, কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে গিয়ে নিয়মিত চাষিদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন। বিশেষ করে আগাম জাতের শিমে রোগবালাই প্রতিরোধ ও সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহারের কৌশল সস্পর্কে পরামর্শ অব্যাহত রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা গেলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য