হাসপাতালগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি শক্তিশালী ও কার্যকর কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর শুধু অ্যান্টিবায়োটিকের ওপর নির্ভর না করে শুরুতেই তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সোমবার রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বড় ধরনের সংক্রামক রোগ ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সুপরিকল্পিত ও ধারাবাহিক কৌশল গ্রহণের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত নজরদারি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পাশাপাশি সংক্রমণের উৎস চিহ্নিত করে প্রাথমিক পর্যায়েই তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখাও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম প্রধান শর্ত।
তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোকেও কঠোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিঙ্গাপুরের সিংহেলথ (SingHealth)-এর সংক্রমণ প্রতিরোধ বিভাগের পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক লিং ময় লিন।
সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।



