Homeসংস্কৃতিশিল্পকলায় পালিত হলো বিশেষ আয়োজন ‘বেণুকা’

শিল্পকলায় পালিত হলো বিশেষ আয়োজন ‘বেণুকা’

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাগাশ্রয়ী গান ও ধ্রুপদী শাস্ত্রীয় সংগীতের নান্দনিকতা তুলে ধরতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘বেণুকা’

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বক্তব্যে তিনি বলেন, সংস্কৃতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে দেশের বৈচিত্র্যকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। তিনি নজরুলের গান ও সুরকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়ার নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এর অংশ হিসেবে ১০০ জন বংশীবাদককে নিয়ে নজরুলের গান ও সুর পরিবেশনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

নজরুলের রাগাশ্রয়ী গানে মুগ্ধতা

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাগাশ্রয়ী গানের বিশেষ পরিবেশনা। একক সংগীত পরিবেশন করেন প্রিয়াংকা গোপ, নাদিয়া আরেফীন শাওন, মুন্নী কাদের, অলোক কুমার সেন, শহীদ কবির পলাশ, ইয়াকুব আলী খান, ড. নাসিদ কামাল, ফাতেমা তুজ জোহরা, মোনালীন আজাদ, ইয়াসমিন মুশতারী, নাহিদ মোমেন, বিজন মিস্ত্রী ও মৃদুলা সমদ্দার।

সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিল নৃত্যের বৈচিত্র্যময় আয়োজন। এস এম হাসান ইশতিয়াক ইমরানের পরিচালনায় কাথ্যাকিয়া দ্য সেন্টার অব আর্টস পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘পায়েলা বোলে রিনিঝিনি’

ফারহানা চৌধুরী বেবীর পরিচালনায় নৃত্যশিল্পীরা পরিবেশন করেন ‘বন-কুন্তল এলায়ে’। এ ছাড়া জাহিদুল ইসলাম সানির পরিচালনায় পরিবেশিত হয় ‘রুম ঝুম রুম ঝুমঝুম ঘণ দোয়া বরষে’

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ-এর একক নৃত্য পরিবেশনা। তাঁর পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে।

নজরুলসংগীত ও শাস্ত্রীয় সংগীতের সঙ্গে নৃত্যের সমন্বয়ে ‘বেণুকা’ আয়োজনটি শিল্পকলার মিলনায়তনে একটি নান্দনিক সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি করে। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধ সংগীত ও নৃত্যঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য