ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নৈতিক জীবনাদর্শ দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় দুটি ইসলামিক ধারাবাহিক বাংলায় ডাবিং করে সম্প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে এসএ টিভি। ধারাবাহিক দুটি হলো ‘মুহাম্মদ (সা.): ফ্ল্যাগস অব জাস্টিস সিজন-২’ এবং ‘ইউসুফ-জুলেখা’।
সম্প্রতি রাজধানীর কাকরাইলে গ্র্যান্ড প্যালেস হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধারাবাহিক দুটির বাংলা সংস্করণ সম্প্রচারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এসএ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শকে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘মুহাম্মদ (সা.): ফ্ল্যাগস অব জাস্টিস সিজন-২’ ধারাবাহিকটি নিবেদন করছে মিনিস্টার মাইওয়ান গ্রুপ।
‘বিনোদনের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা জরুরি’
সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাজ শুধু দর্শকদের বিনোদন দেওয়া নয়; জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসমৃদ্ধ অনুষ্ঠান উপহার দেওয়াও গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ‘মুহাম্মদ (সা.): ফ্ল্যাগস অব জাস্টিস সিজন-২’ ও ‘ইউসুফ-জুলেখা’ সেই লক্ষ্যেই এসএ টিভির অনুষ্ঠান তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। তাঁর প্রত্যাশা, ধারাবাহিক দুটি দর্শকদের ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা ও মানবিক শিক্ষার একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেবে।
তিনি আরও জানান, মহাকাব্যিক ইসলামিক গল্পনির্ভর এ ধারাবাহিকগুলো পরিবারসহ বিভিন্ন বয়সী দর্শকের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে কোরআনের আলোকে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে মিনিস্টার মাইওয়ান গ্রুপের গ্রুপ ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী হায়দার, এসএ টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর এ আলম রুবেল, পরিচালক শামছুল আলম পান্থ এবং নির্বাহী পরিচালক রাশেদ কাঞ্চনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ‘ফ্ল্যাগস অব জাস্টিস’
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও নৈতিক শিক্ষাসমৃদ্ধ ‘মুহাম্মদ (সা.): ফ্ল্যাগস অব জাস্টিস সিজন-২’ আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে এসএ টিভিতে প্রচারিত হবে।
প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ধারাবাহিকটির পর্ব প্রচার হবে।
৩০ আগস্ট থেকে ‘ইউসুফ-জুলেখা’
অন্যদিকে, আবেগঘন ইরানি গল্পনির্ভর জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ইউসুফ-জুলেখা’-এর বাংলা ডাবিং সম্প্রচার শুরু হবে আগামী ৩০ আগস্ট থেকে।
ধারাবাহিকটি প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত ৮টায় এসএ টিভির পর্দায় দেখা যাবে।
দুটি ধারাবাহিকের সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ইসলামিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যনির্ভর গল্প বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের আরও সহজে দেখার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



