রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল বা সময়সূচি এখনো নির্ধারণ না হলেও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা চেয়েছে কমিশন।
সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি। তবে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের কাছে ভোটার তালিকা চাওয়া হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা বা আলোচনা হয়নি। তবে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ধরে রেখেছে। তিনি জানান, অক্টোবরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু না হলে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার সময়সীমা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় শেষ হলেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ আটটি রাজনৈতিক দল এখনো নির্বাচন কমিশনে তাদের আর্থিক হিসাব জমা দেয়নি।
হিসাব জমা না দেওয়া দলগুলো হলো— জাগপা, তৃণমূল বিএনপি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আম জনতার দল এবং জনতার দল।
ইসি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ জুলাই। তবে সরকারি ছুটির কারণে সময়সীমা বাড়িয়ে ২ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টিসহ ১৩টি দল হিসাব প্রস্তুত না হওয়ায় সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে।
ইসি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব জমা না দেওয়া দলগুলোর বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


